আইন-আদালত

ইলিয়াস কাঞ্চনের মামলায় শাজাহানকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্জ মামলাটি আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন।

শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার বিষয়টি গতকাল নিরাপদ সড়ক চাই কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়। বলা হয়, পরিবহন শ্রমিক নেতা শাজাহান খান এমপির বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। মামলা নং- ০৯/২০২০।

ইলিয়াস কাঞ্চনের পক্ষে মামলাটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর পরিবহন শ্রমিক নেতা শাজাহান খান এমপি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং নিরাপদ সড়ক চাইসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচারের মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট ও উদ্ভট কিছু প্রসঙ্গ টেনে এনে চরিত্র হননের চেষ্টা করেন। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন কোথা থেকে কত টাকা পান, কী উদ্দেশ্যে পান, সেখান থেকে কত টাকা নিজে নেন, পুত্রের নামে নেন, পুত্রবধূর নামে নেন সেই হিসেবটা আমি জনসম্মুখে তুলে ধরবো’- যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

শাজাহান খানের এমন ‘মিথ্যাচারে’ যেহেতু সেই সময় ইলিয়াস কাঞ্চন দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন তখন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র পক্ষ থেকে এই তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়ে এই মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়। যা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। কিন্তু শাজাহান খান তার এই বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ক্ষমা প্রার্থনা না করায় ইলিয়াস কাঞ্চন ১০ ডিসেম্বর রাতে দেশে ফিরেই পরদিন ১১ ডিসেম্বর  জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি আবারও শাজাহান খানকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন এই মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য। যেহেতু শাজাহান খান ক্ষমা প্রার্থনা করেননি তাই মামলা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close